আমরা কারা এবং কেন 12nbajee তৈরি হয়েছিল?

২০১৮ সালে একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং স্পোর্টস বিশেষজ্ঞ মিলে 12nbajee প্রতিষ্ঠা করেন। তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলো হয় অতিরিক্ত জটিল, নয়তো অনিরাপদ। সাধারণ ব্যবহারকারীরা বুঝতেই পারতেন না কোথায় তাদের অর্থ যাচ্ছে, কীভাবে উত্তোলন করবেন বা সমস্যায় পড়লে কার কাছে যাবেন।

এই সমস্যাগুলো সমাধান করতেই 12nbajee জন্ম নিয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল একটা পরিষ্কার, সহজবোধ্য এবং সম্পূর্ণ বাংলায় পরিচালিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তের মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে বেট করতে পারবেন।

আমাদের দর্শন: প্রতিটি সদস্য আমাদের পরিবারের অংশ। তাদের অভিজ্ঞতা যেন সবসময় ইতিবাচক হয় — এটাই আমাদের প্রতিদিনের কাজের মূল চালিকাশক্তি।

আমাদের যাত্রার শুরু

প্রথম দিকে 12nbajee শুধু ক্রিকেট বেটিং দিয়ে শুরু করেছিল। বাংলাদেশে ক্রিকেট যে কতটা আবেগের খেলা সেটা আমরা প্রথম থেকেই বুঝতাম। তাই বাংলাদেশ দলের প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও সেরা অডস নিশ্চিত করতাম।

ব্যবহারকারীদের আস্থা আর ভালোবাসায় ধীরে ধীরে 12nbajee বড় হয়েছে। এখন আমাদের প্ল্যাটফর্মে ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবল, টেনিস, কাবাডি সহ ৩০টিরও বেশি স্পোর্টসের উপর বেট করার সুযোগ আছে। সেই সাথে আছে লাইভ ক্যাসিনো, স্লট এবং লটারির মতো বিনোদনমূলক অপশন।

প্রযুক্তিতে আমাদের বিনিয়োগ

12nbajee বিশ্বাস করে যে প্রযুক্তি হলো সেরা সেবার মূল ভিত্তি। তাই আমরা প্রতি বছর আমাদের প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা, গতি এবং ব্যবহারযোগ্যতা উন্নত করতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ করি। আমাদের সার্ভার ২৫৬-বিট এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত এবং প্রতিটি লেনদেন রিয়েল-টাইমে মনিটর করা হয়।

মোবাইল অ্যাপ থেকে শুরু করে ওয়েব প্ল্যাটফর্ম পর্যন্ত সবকিছু এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে একজন সাধারণ ব্যবহারকারীও কোনো ঝামেলা ছাড়াই ব্যবহার করতে পারেন।

দায়িত্বশীল বেটিং: 12nbajee সবসময় দায়িত্বশীল বেটিংয়ে বিশ্বাস করে। আমরা আমাদের প্রতিটি সদস্যকে নিজের আর্থিক সীমা নির্ধারণ করে বেট করতে উৎসাহিত করি। বেটিং বিনোদনের জন্য — আয়ের উৎস হিসেবে নয়।

বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশিদের দ্বারা

12nbajee-র সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আমাদের দল। আমাদের গ্রাহক সেবা প্রতিনিধিরা সবাই বাংলাভাষী এবং স্থানীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতন। যখন আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন, আপনি অনুভব করবেন যে আপনি একজন পরিচিত মানুষের সাথে কথা বলছেন।

পেমেন্ট সিস্টেমেও আমরা স্থানীয় চাহিদা মাথায় রেখেছি। বিকাশ, নগদ, রকেট সহ সব জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে জমা ও উত্তোলন করা যায়। ব্যাংক ট্রান্সফারও সমান সহজ।